Advertisement

বিএমডব্লিউ নিয়ে এসব চমকপ্রদ তথ্য জানতেন?

crimefocusbd24.com
শত বছর পেরিয়েও বিএমডব্লিউ এখনো গাড়িপ্রেমীদের পছন্দের তালিকার শীর্ষে
শত বছর পেরিয়েও বিএমডব্লিউ এখনো গাড়িপ্রেমীদের পছন্দের তালিকার শীর্ষেছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে

জেনে নেওয়া যাক ‘বিএমডব্লিউ গাড়ির ১০টি চমকপ্রদ তথ্য’।

১. শুরু হয়েছিল উড়োজাহাজের ইঞ্জিন তৈরি দিয়ে

বিএমডব্লিউর সূচনা হয়েছিল ১৯১৬ সালে। তখন এই প্রতিষ্ঠানের নাম ছিল বিএফডব্লিউ। তাদের মূল কাজ ছিল জার্মান যুদ্ধবিমানের ইঞ্জিন তৈরি করা। ১৯১৭ সালে নিজেদের নাম পরিবর্তন করে তারা বিএমডব্লিউ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

২. নীল-সাদা লোগো

অনেকেই ধারণা করেন যে বিএমডব্লিউর লোগো মূলত তাদের অতীতকে কেন্দ্র করে তৈরি করা। উড়োজাহাজের প্রপেলার থেকে তৈরি করা হয়েছে বিএমডব্লিউর লোগো। কিন্তু ব্যাপারটি তেমন নয়। বরং বাভারিয়ান পতাকার দুই রং নীল ও সাদা দিয়ে তৈরি করা হয়েছে তাদের লোগো। বাভারিয়ান ফুটবল ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখের লোগোতেও এমন প্যাটার্ন দেখা যায়।

৩. মোটর ইঞ্জিনের আদলে হেডকোয়ার্টার

জার্মানির মিউনিখে অবস্থিত বিএমডব্লিউর হেডকোয়ার্টার। দূর থেকে যাকে দেখে মনে হবে, একটি চার সিলিন্ডারের ইঞ্জিন। ভবনটির নকশা এমনভাবে করা হয়েছে, যাতে পুরো ভবনটি সেন্ট্রাল হাব থেকে চালনা করা যায়। যেভাবে গাড়ির ইঞ্জিন পুরো গাড়িকে চালিয়ে নিয়ে যায়। ১৯৭২ মিউনিখ অলিম্পিককে সামনে রেখে নির্মাণকাজ শেষ হয় ভবনটির। ১৯৭৩ সালে সেই ভবনে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *